বুধবার | ৪ঠা আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ২০শে শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম

ঢাকায় বেফাকের বৈঠক

প্রকাশিত :
সিলেট রিপোর্টঃ কওমি ছাত্র-শিক্ষকদের সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয় সামনে রেখে যাত্রাবাড়ী কার্যালয়ে শনিবার (২৭ জুন) বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ এর ঢাকা মহানগর ও ঢাকার আশেপাশে অবস্থানরত আমেলার সদস্যদের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মাওলানা জাবের কাসেমী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
বেফাকের অন্যতম সহসভাপতি ও জামিয়া মাদানিয়া বারিধারার মুহতামিম মাওলানা নূর হোছাইন কাসেমীর সভাপতিত্বে বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন, মাওলানা আব্দুল হামিদ (পীর সাহেব মধুপুর), মাওলানা নুরুল ইসলাম জিহাদী, মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী, মাওলানা বাহাউদ্দীন যাকারিয়া,মাওলানা সাজিদুর রহমান, মাওলানা আব্দুর রব ইউসূফী, মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা যুবায়ের আহমদ চৌধুরী, মাওলানা আবু ইউসূফ, মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দি, মুফতি মাসউদুল করীম, মুফতি আনিসুর রহমান, মাওলানা কেফায়েতুল্লাহ আজহারীসহ প্রমূখ উলামায়ে কেরাম।
সুত্রমতে, বৈঠকে করোনা কালীন সময়ে কওমি মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। সঙ্কটময় মুহুর্তে সাধ্যমতো শিক্ষকদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আহবান জানানো হয়। একই সাথে ভাড়াটে মাদ্রাসা সমুহের প্রতি সদয় হওয়ার জন্য বাড়ীর মালিকদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়।
বৈঠকে ঢাকায় অবস্থানরত বেফাক মহাসচিব মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস আজকের বৈঠকে কেনো অনুপস্থিত ? এমন প্রশ্নের জবাবে একজন সদস্য জানান, তিনি অসুস্থ।
এ ব্যাপারে সহসভাপতি মাওলানা বাহাউদ্দীন জাকারিয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি ফোন রিসিভকরেননি।
সভার সিদ্ধান্তসমূহঃ
বর্তমান নাজুক পরিস্থিতিতে আর্থিক কষ্টে প্রতিয়মান শিক্ষক সমাজের প্রতি মাদরাসা কর্তৃপক্ষ যেন অনুগ্রহ পূর্বক দয়ার্দ্র আচরণ করেন। তাদের চাহিদা ও সমস্যার প্রতি সদয় দৃষ্টি প্রদান করেন। যাদের সামর্থ রয়েছে তারা যেন শিক্ষকদের বেতন আদায়ে বিশেষ যত্নবান হন। অপরদিকে আর্থিক সমস্যায় জর্জরিত মাদরাসার শিক্ষক সমাজও ধৈর্যধারণ করবেন। মাদরাসা কর্তৃপক্ষের সাথে রূঢ় আচরণ করবেন না।
যে সকল মাদরাসা ভাড়া বাড়িতে অবস্থিত, সে সব বাড়ির মালিকদের প্রতি আহবান জানানো হয়, তারা তাদের বাড়িতে মাদরাসা স্থাপনের অনুমতি দিয়ে যে দ্বীনি কাজে সহায়তার ন্যায় মহৎ কাজ করেছেন, সে মহৎ কাজের অংশ হিসেবে আশা করি, তারা মাদরাসাগুলো বহাল রাখবেন। এ পর্যায়ে তারা ভাড়া ৫০% কমানো, বিলম্বে ভাড়া প্রদানের অনুমতি ও বাড়িতে মাদরাসা বহাল রাখা ইত্যাদি কাজের মাধ্যমে দ্বীনি ইলমের খেদমতে শামিল থাকবেন।
আরো এক সিদ্ধান্তে বলা হয়, বর্তমান পরিস্থিতিতে কওমী মাদরাসাগুলো বন্ধ থাকায় একদিকে যেমন লেখাপড়া হচ্ছে না, অপরদিকে মাদরাসাগুলো আর্থিক অসচ্ছলতার শিকার হয়ে আছে। এ অবস্থায় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায় থেকে এসব মাদরাসাকে নানাবিধ প্রশ্ন করে পেরেশান করা হচ্ছে। এ পর্যায়ে প্রশাসনের বরাবরে আহবান জানানো হয়, তারা যেন মাদরাসা কর্তৃপক্ষকে পেরেশান না করে এসব দ্বীনি প্রতিষ্ঠানকে দ্বীনি কাজ আঞ্জামে সার্বিক সহাযোগিতা করবেন।

 

আজকের সর্বশেষ সব খবর