রবিবার | ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম

রেল দূর্ঘটনায় গুরুতর আহত সোহেল এর চিকিৎসা অর্থের অভাবে আটকে আছে ॥ বিত্তবানদের কাছে সাহয্যের আবেদন

প্রকাশিত :

সাহিদুর রহমান, বানিয়াচং: কুমিল্লার কসবায় রেল দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত বানিয়াচংয়ের সোহেল মিয়া ও তার পরিবারের চিকিৎসা প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে ব্যহত হচ্ছে। একদিকে করোনা পরিস্থিতির কারনে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পাওয়া যাচ্ছে না, অন্যদিকে অর্থের সঙ্কটের কারণে স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে এ পরিবারের জন্য। কলিজার টুকরা একমাত্র কন্যা সন্তান আদিবা সুলতানা সোহাকে(৩) হারিয়ে এখনো হাঁপিয়ে উঠছেন মা- বাবা। এহেন অবস্থায় নিদারুণ কষ্টে দিনাতিপাত করছে এ পরিবারটি। অর্থের অভাবে কি থমকে যাবে আহত সোহেল মিয়া ও তার স্ত্রীর চিকিৎসা? ফিরতে কি পারবে না আর স্বাভাবিক জীবনে ?

এ প্রশ্নটুকুই প্রতিনিয়ত ঘুরপাক খাচ্ছে সন্তানহারা সোহেলের হৃদয়ে। কলিজার টুকরা সন্তান হারা পরবারটি সুস্থ্য- সুন্দর ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারে সুকিৎসা পেলে। এমন আশাই করছেন তার স্বজনরা। গুরুতর আহত সোহেল ও তার স্ত্রীর জটিল এবং ব্যয়বহুল অপারেশন করাতে গিয়ে যা ছিল সহায় সম্বল সব কিছু হারিয়ে এখন নি:স্ব । খাদ্য সঙ্কট ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যয়বার বহন করা তাদের পক্ষে আর সম্ভব নয়। যেখানে তিন বেলা খাবার জোগাড় করা যে পরিবারটির অত্যন্ত কঠিন, সেখানে চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করা পাথরে ফুল ফুটানোর ন্যায়।

আহত সাহেল মিয়া জানান, তার মেয়ে রেল দুর্ঘটনায় নিহত হওয়ায় সরকারি অনুদান হিসেবে এক লক্ষ টাকা এবং ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে আহত পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা ও বানিয়াচং উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১০হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছিল। এলাকার অনেক বিবেকবান মানুষ এবং ব্যবসায়ীবৃন্দ আর্থিক ভাবে সহযোগিতা করেছিলেন যা প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য অপ্রতুল।

তিনি আরও জানান, তার স্ত্রীর ২টি এবং শাশুড়ীর একটি মোট ৪টি অপারেশন প্রয়োজন যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। যেখানে খেয়ে থেকে বেঁচে থাকা দায়, সেখানে ব্যয়বহুল অপারেশন গুলি করানো মোটেও সম্ভব না। তাই বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি ভাই বোন ও দেশবাসীর নিকট সে করজোড়ে আবেদন জানাচ্ছে, যেন তার পরিবারটি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন।
উল্লেখ্য, গত ২০১৯ এর ১৩ নভেম্বর রাত ৩টার দিকে ঢাকা-চট্রগ্রাম রেলপথের ব্রাক্ষণবাড়িয়ার কসবার মন্দবাগ রেল ক্রসিংয়ে উদয়ন এক্সপ্রেস ও আন্ত:নগর তৃণা নিশীথার মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
রেলের এই ভয়াবহ সংঘর্ষে নিহত হয় বানিয়াচং তাম্বুলিটুলা মহল্লার সোহেল মিয়ার একমাত্র কন্যা আদিবা আক্তার সোহা। গুরুতর আহত হয় সোহেলও তার স্ত্রী নাজমা আক্তার এবং সোহেল মিয়ার ছেলে নাফিস ও তার শ্বাশুড়ি রেনু বেগম।
দানশীল হৃদয়বান ব্যক্তিদের জন্য তার পার্সনাল বিকাশ নাম্বার ০১৭২৫-৪৯৩ ৪৩৮/০১৭২৫-৪৯৩ ৪৩৮। এই নাম্বারে সাহায্য পাঠাতে অনুরোধ করেছে সোহেল ও তার পরিবার।

আজকের সর্বশেষ সব খবর