ঢাকা ০৩:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সাংবাদিক মঈন উদ্দিন এঁর পিতার মৃত্যুতে তরঙ্গ২৪.কম পরিবার গভীরভাবে শোকাহত Logo গ্যানিংগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে নানা আয়োজনে মহান বিজয় দিবস উদযাপন Logo মহান বিজয় দিবসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে বানিয়াচং মডেল প্রেসক্লাব Logo দেশবাসীকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ‘বানিয়াচং ইসলামি নাগরিক ফোরাম’ নেতৃবৃন্দ Logo নূরানী শিক্ষা বোর্ডে মেধা তালিকায় ২য় হয়েছে গ্যানিংগঞ্জ বাজার নূরানী মাদ্রাসার ছাত্রী মুনতাহা আক্তার Logo বানিয়াচংয়ে ১২কেজি গাঁজাসহ কুখ্যাত ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার Logo বানিয়াচং শাহজালাল কে.জি স্কুল ২০২৩ বৃত্তি পরীক্ষায় ঈর্ষণীয় সাফল্য Logo চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার হোসেন ডা. ইলিয়াছ একাডেমির ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচিত Logo ৪০তম তাফসিরুল কোরআন মহা সম্মেলন সফল করায় আলহাজ্ব রেজাউল মোহিত খানের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ Logo ইফার সাবেক ফিল্ড অফিসার আব্দুল ওয়াদুদের মৃত্যুতে জেলা মউশিক কল্যাণ পরিষদ নেতৃবৃন্দের শোক

ভালো নেই লাইব্রেরী ব্যবসায়ীরা, গুণছেন বড় ধরণের লোকসান

  • তরঙ্গ ২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ০১:৪৬:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২০
  • ১৮২ বার পড়া হয়েছে

শিব্বির আহমদ আরজু ॥ ভালো নেই লাইব্রেরী ব্যবসায়ীরা। সারাদেশে কোভিড-১৯ স্থিমিত হওয়ার পর বিভিন্ন ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প- কারখানাসহ অফিস- আদালদত খুললেও, খুলেনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে সরাসরি জড়িত লাইব্রেরী। কোভিড-১৯ এর প্রকোপ বৃদ্ধির সাথে সাথে সারা দেশের সরকারি/বেসরকারি সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেন সরকার। যা অদ্যবধি বন্ধ রয়েছে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। দীর্ঘ বন্ধ থাকাতে এ ব্যবসার সাথে জড়িতরা অর্থনৈতিকভাবে চরম বিপর্যয়ে পড়েছেন। গুণছেন মোটা অঙ্কের লোকসান। লোকসান গুণতে গুণতে এখন একেবারে খাদের কিনারায় গিয়ে ঠেকেছেন। ব্যবসা না হলেও দোকান এবং গুদাম ভাড়া, বিদ্যুৎবিল, কর্মচারীর বেতন-ভাতা ইত্যাদি গুণতে হচ্ছে তাদের। সেই সাথে দোকানে রয়েছে লাখ-লাখ টাকার বই। সবদিক মিলিয়ে লাইব্রেরী শিল্প ধ্বংসের মুখে পড়েছে! ব্যবসা ছাড়ার চিন্তা ভাবনাও করছেন অনেক ব্যবসায়ী। কবে কোন সময় পরিবেশ স্বাভাবিক হবে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর উপর থেকে বিধি-নিষেধ উঠে যাবে তা কেউ-ই বলতে পারছেন না। সবদিক মিলিয়ে এক কঠিন অবস্থায় পতিত হয়েছেন লাইব্রেরী ব্যবসায়ীরা। লাইব্রেরী ব্যবসায়ীদের দূর্দিন শুধু বানিয়াচংয়ে নয়, সারা দেশেই। বানিয়াচং উপজেলা পাঠ্য-পুস্তক ও বিক্রেতা সমিতির সাধারণ সম্পাদক আশসাফ চৌধুরী বাবু তরঙ্গ টুয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, করোনা ভাইরাসের কারণে সমস্ত স্কুল-প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এ বন্ধ থাকাতে অনেক ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন লাইব্রেরী ব্যবসায়ীরা। এতে করে দোকান ভাড়াসহ কর্মচারীর বেতন যথারীতি পরিশোধ করতে হচ্ছে তাদের। আর পরিবারের ব্যয়ভার তো আছেই। এতে করে লাইব্রেরী শিল্পকে ঠিকিয়ে রাখা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। লাইব্রেরী শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা/ স্বল্প মোনাফায় ঋণ দেওয়ার আহবান জানাচ্ছি।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাংবাদিক মঈন উদ্দিন এঁর পিতার মৃত্যুতে তরঙ্গ২৪.কম পরিবার গভীরভাবে শোকাহত

ভালো নেই লাইব্রেরী ব্যবসায়ীরা, গুণছেন বড় ধরণের লোকসান

আপডেট সময় ০১:৪৬:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২০

শিব্বির আহমদ আরজু ॥ ভালো নেই লাইব্রেরী ব্যবসায়ীরা। সারাদেশে কোভিড-১৯ স্থিমিত হওয়ার পর বিভিন্ন ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প- কারখানাসহ অফিস- আদালদত খুললেও, খুলেনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে সরাসরি জড়িত লাইব্রেরী। কোভিড-১৯ এর প্রকোপ বৃদ্ধির সাথে সাথে সারা দেশের সরকারি/বেসরকারি সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেন সরকার। যা অদ্যবধি বন্ধ রয়েছে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। দীর্ঘ বন্ধ থাকাতে এ ব্যবসার সাথে জড়িতরা অর্থনৈতিকভাবে চরম বিপর্যয়ে পড়েছেন। গুণছেন মোটা অঙ্কের লোকসান। লোকসান গুণতে গুণতে এখন একেবারে খাদের কিনারায় গিয়ে ঠেকেছেন। ব্যবসা না হলেও দোকান এবং গুদাম ভাড়া, বিদ্যুৎবিল, কর্মচারীর বেতন-ভাতা ইত্যাদি গুণতে হচ্ছে তাদের। সেই সাথে দোকানে রয়েছে লাখ-লাখ টাকার বই। সবদিক মিলিয়ে লাইব্রেরী শিল্প ধ্বংসের মুখে পড়েছে! ব্যবসা ছাড়ার চিন্তা ভাবনাও করছেন অনেক ব্যবসায়ী। কবে কোন সময় পরিবেশ স্বাভাবিক হবে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর উপর থেকে বিধি-নিষেধ উঠে যাবে তা কেউ-ই বলতে পারছেন না। সবদিক মিলিয়ে এক কঠিন অবস্থায় পতিত হয়েছেন লাইব্রেরী ব্যবসায়ীরা। লাইব্রেরী ব্যবসায়ীদের দূর্দিন শুধু বানিয়াচংয়ে নয়, সারা দেশেই। বানিয়াচং উপজেলা পাঠ্য-পুস্তক ও বিক্রেতা সমিতির সাধারণ সম্পাদক আশসাফ চৌধুরী বাবু তরঙ্গ টুয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, করোনা ভাইরাসের কারণে সমস্ত স্কুল-প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এ বন্ধ থাকাতে অনেক ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন লাইব্রেরী ব্যবসায়ীরা। এতে করে দোকান ভাড়াসহ কর্মচারীর বেতন যথারীতি পরিশোধ করতে হচ্ছে তাদের। আর পরিবারের ব্যয়ভার তো আছেই। এতে করে লাইব্রেরী শিল্পকে ঠিকিয়ে রাখা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। লাইব্রেরী শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা/ স্বল্প মোনাফায় ঋণ দেওয়ার আহবান জানাচ্ছি।