ঢাকা ০৪:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সাংবাদিক মঈন উদ্দিন এঁর পিতার মৃত্যুতে তরঙ্গ২৪.কম পরিবার গভীরভাবে শোকাহত Logo গ্যানিংগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে নানা আয়োজনে মহান বিজয় দিবস উদযাপন Logo মহান বিজয় দিবসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে বানিয়াচং মডেল প্রেসক্লাব Logo দেশবাসীকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ‘বানিয়াচং ইসলামি নাগরিক ফোরাম’ নেতৃবৃন্দ Logo নূরানী শিক্ষা বোর্ডে মেধা তালিকায় ২য় হয়েছে গ্যানিংগঞ্জ বাজার নূরানী মাদ্রাসার ছাত্রী মুনতাহা আক্তার Logo বানিয়াচংয়ে ১২কেজি গাঁজাসহ কুখ্যাত ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার Logo বানিয়াচং শাহজালাল কে.জি স্কুল ২০২৩ বৃত্তি পরীক্ষায় ঈর্ষণীয় সাফল্য Logo চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার হোসেন ডা. ইলিয়াছ একাডেমির ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচিত Logo ৪০তম তাফসিরুল কোরআন মহা সম্মেলন সফল করায় আলহাজ্ব রেজাউল মোহিত খানের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ Logo ইফার সাবেক ফিল্ড অফিসার আব্দুল ওয়াদুদের মৃত্যুতে জেলা মউশিক কল্যাণ পরিষদ নেতৃবৃন্দের শোক

বৃদ্ধাশ্রমের ইতিহাস : কিছু কথা

  • তরঙ্গ ২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ০৪:৪৭:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২১
  • ২১১ বার পড়া হয়েছে

শিব্বির আহমদ আরজু ::
বৃদ্ধাশ্রম মানে বৃদ্ধ নারী-পুরুষের আবাসস্থল। জাতিসংঘ ৬০ বছরের নারী-পুরুষকে বৃদ্ধ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। ১৯৯০ খ্রি. দেশে প্রবীন জনগোষ্ঠী ছিল ৪০ লাখ ৯০ হাজার। ১৯৯১ খ্রি. দাঁড়ায় ৬০ লাখে। ২০১০ খ্রি. এসে দাঁড়ায় ১ কোটি ২৫ লাখের ও বেশি। বৃদ্ধাশ্রম প্রথমে শুরু হয় প্রাচীন চীনে। ১৯৬০ খ্রি. ব্যক্তি উদ্যোগে বাংলাদেশে প্রথম বৃদ্ধাশ্রম প্রতিষ্ঠিত হয়। এর প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন ডা. একে এম আব্দুল ওয়াহেদ। ১৯৮৫ খ্রি. সরকারি ভাবে আঁগার গাওয়ে প্রবীন নিবাস নামে ‘ বৃদ্ধাশ্রম’ প্রতিষ্ঠা হয়- “( সূত্র: উইকিপিডিয়া)”। বৃদ্ধাশ্রমের কথা শুনলেই হৃদয়টা কেন জানি কেঁপে ওঠে। কেননা বৃদ্ধাশ্রমের বাসিন্দারা কারো না কারো মাতা- পিতা। তাদের ও একদিন সুন্দর একটি শৈশব ছিল, ছিল সুন্দর একটি জীবন। তাঁরা ছেলে-মেয়েসহ স্বজনদের নিয়ে জীবনের অধিকাংশ সময় কাটিয়েছেন সুখে- শান্তিতে। আজ বড়ই অসহায়! বড়ই একাকীত্ব। যাঁরা বৃদ্ধাশ্রমের বাসিন্দা তাঁরা কি কখনো ভেবেছিলেন এর বাসিন্দা হবেন ? নিশ্চয় না । আর সেটি কখনো কোনো সুস্থ মানুষ কামনা করতে পারে না। একজন মা- বাবা জীবনভর কষ্ট করলেও শেষ জীবনটা কাটিয়ে দিতে চান সন্তান-সন্ততিকে নিয়ে। মাতা-পিতা সন্তানের মুখপানে চেয়ে হাজারো দু:খ- কষ্ট সহ্য করেন তবুও সন্তানকে একবিন্দু কষ্ট দিতে চাননি। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে সন্তানের ন্যায় নাতী-নাতনীদের মধ্যে বেঁচে থাকার নিরন্তর চেষ্টা করে থাকেন। সুখ কারো ললাটে জোটে, আবার কারো ললাটে জোটে না। মনে রাখতে হবে দুনিয়াতে সবচেয়ে আপনজন হচ্ছেন মাতা-পিতা। দশ মাস দশদিন গর্ভে ধারণ করেছেন মাতা। ছোট থেকে বড় করেছেন মাতা। নিজে না খেয়ে সন্তানকে খাইয়েছেন মাতা-ই। আর সারা দিন রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে কর্মক্লান্ত শরীর নিয়ে সন্তানের এক পসরা সুখ- শান্তির জন্য যিনি পরিশ্রম করেছেন তিনি হচ্ছেন পিতা। মনে রাখতে হবে আজকে যারা নবীন তারাই আগামীর প্রবীন। ভাল কাজ গুলো ভাল হয়ে ফিরে আসবে আপনার জীবনে, খারাপ কাজ গুলোও ঠিক তাই। মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে বলেন, “ আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো ইবাদত করো না এবং পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার করো”- ( সূরা বনী ইসরাঈল, আয়াত নং- ২৩)। এ আয়াতের ব্যাখ্যায় ইমাম কুরতুবী (রহ.) বলেন, এ আয়াতে আল্লাহ পাক পিতা- মাতার সম্মান এবং তাঁদের সাথে সদ্ব্যবহার করাকে নিজের ইবাদতের সাথে বর্ণনা করে সন্তানের ওপর তা অপরিহার্য করেছেন।
হযরত মুহম্মদ (সা.) বলেন, পিতা-মাতার সন্তুষ্টিতে আল্লাহ সন্তুষ্ট হন আর পিতা-মাতার অসন্তুষ্টিতে আল্লাহ অসন্তুষ্ট হন।- তিরমিযী শরীফ
পিতা-মাতাকে কোনরূপ কষ্ট দেওয়া পবিত্র ইসলাম ধর্মে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সঙ্গত কারণে যদি মাতা-পিতা সন্তানকে প্রহার করেন তাহলে তাদের সামনে সন্তানের জন্য উহ্ শব্দ ব্যবহার করা হারাম করা হয়েছে। মাতা-পিতা সন্তান জন্ম দিয়েছেন, ভরণ-পোষণ করেছেন, শিক্ষিত করে চাকুরীজীবী বানিয়েছেন তবুও জীবনের যবনিকায় এসে তাদের ভাগ্যে একপসরা সুখ যেন আকাশের চাঁদ। বিয়ের আগে ছেলে সন্তান মাতা-পিতার কাছে হিরার টুকরা থাকে। বিয়ের পর থেকেই ক্রমশ সেই ভালবাসায় ছেদ পড়তে থাকে। এর কারণ কী ? বিয়ের আগে ছেলে সন্তানরা মা- বাবাকে কষ্ট দিলেও চোখবুজে তারা সহ্য করে নেন, বিয়ের পর এমনটি হলে তারা বউমার দিকে তীর ছুঁড়েন। তখন অনেক মাতা-পিতাই ইতিবাচক থাকতে পারেন না। এ ত্রুটি অন্বেষণের জন্য উভয় পক্ষ থেকে দূরত্ব সৃষ্টি হয়। তবে হে এটা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই কোনো কোনো বধূদের হাত থাকে। বধূরা আরো সতর্ক হতে হবে, হতে হবে আরো দায়িত্বশীল এবং ত্যাগের মহিমারূপে। অনেক বউমারা শ্বশুড়- শ্বাশুড়ীকে মাতা-পিতা হিসেবে মেনে নিতে অনেকটাই নারাজ ! শ্বাশুড়ীড়া ও বউমাকে স্বীয় মেয়ের মতো করে ভাবতে কার্পণ্য করেন। এ দু’টার কোনোটাই কাম্য নয়। বউমাদের অনুধাবন করতে হবে তুমি আজ একজনের পুত্র বধু, সময়ের বিবর্তনে তুমিও হবে একদিন শ্বাশুড়ী। শ্বশড়- শ্বাশুড়ীর সাথে বধূ যে রূপ আচরণ করবে সেটাই ভবিষ্যতে তার ললাটে থাকবে। সাবধান ! বুদ্ধিমান সে যে কখনোই মাতা-পিতার অবাধ্য হয়ে/ নির্যাতন/ বৃদ্ধাশ্রমে দিয়ে স্বীয় পায়ে কুঁড়াল মারবে না।
আব্রাহাম লিংকন বলেন, “ দুনিয়াতে যার মা’ আছে সে কখনোই গরীব নয়”।
জনপ্রিয় কথা সাহিত্যিক হূমায়ূন আহমেদ বলেন, “ বাবা- মা’র প্রথম সন্তান হচ্ছে চমৎকার একটি জীবন্ত খেলা। এই খেলনার সবাই ভালো। খেলনা যখন হাসে মা-বাবা হাসে। খেলনা যখন কাঁদে বাবা-মা’র মুখ অন্ধকার হয়ে যায়।

সম্পাদক ও প্রকাশক : তরঙ্গ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাংবাদিক মঈন উদ্দিন এঁর পিতার মৃত্যুতে তরঙ্গ২৪.কম পরিবার গভীরভাবে শোকাহত

বৃদ্ধাশ্রমের ইতিহাস : কিছু কথা

আপডেট সময় ০৪:৪৭:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২১

শিব্বির আহমদ আরজু ::
বৃদ্ধাশ্রম মানে বৃদ্ধ নারী-পুরুষের আবাসস্থল। জাতিসংঘ ৬০ বছরের নারী-পুরুষকে বৃদ্ধ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। ১৯৯০ খ্রি. দেশে প্রবীন জনগোষ্ঠী ছিল ৪০ লাখ ৯০ হাজার। ১৯৯১ খ্রি. দাঁড়ায় ৬০ লাখে। ২০১০ খ্রি. এসে দাঁড়ায় ১ কোটি ২৫ লাখের ও বেশি। বৃদ্ধাশ্রম প্রথমে শুরু হয় প্রাচীন চীনে। ১৯৬০ খ্রি. ব্যক্তি উদ্যোগে বাংলাদেশে প্রথম বৃদ্ধাশ্রম প্রতিষ্ঠিত হয়। এর প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন ডা. একে এম আব্দুল ওয়াহেদ। ১৯৮৫ খ্রি. সরকারি ভাবে আঁগার গাওয়ে প্রবীন নিবাস নামে ‘ বৃদ্ধাশ্রম’ প্রতিষ্ঠা হয়- “( সূত্র: উইকিপিডিয়া)”। বৃদ্ধাশ্রমের কথা শুনলেই হৃদয়টা কেন জানি কেঁপে ওঠে। কেননা বৃদ্ধাশ্রমের বাসিন্দারা কারো না কারো মাতা- পিতা। তাদের ও একদিন সুন্দর একটি শৈশব ছিল, ছিল সুন্দর একটি জীবন। তাঁরা ছেলে-মেয়েসহ স্বজনদের নিয়ে জীবনের অধিকাংশ সময় কাটিয়েছেন সুখে- শান্তিতে। আজ বড়ই অসহায়! বড়ই একাকীত্ব। যাঁরা বৃদ্ধাশ্রমের বাসিন্দা তাঁরা কি কখনো ভেবেছিলেন এর বাসিন্দা হবেন ? নিশ্চয় না । আর সেটি কখনো কোনো সুস্থ মানুষ কামনা করতে পারে না। একজন মা- বাবা জীবনভর কষ্ট করলেও শেষ জীবনটা কাটিয়ে দিতে চান সন্তান-সন্ততিকে নিয়ে। মাতা-পিতা সন্তানের মুখপানে চেয়ে হাজারো দু:খ- কষ্ট সহ্য করেন তবুও সন্তানকে একবিন্দু কষ্ট দিতে চাননি। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে সন্তানের ন্যায় নাতী-নাতনীদের মধ্যে বেঁচে থাকার নিরন্তর চেষ্টা করে থাকেন। সুখ কারো ললাটে জোটে, আবার কারো ললাটে জোটে না। মনে রাখতে হবে দুনিয়াতে সবচেয়ে আপনজন হচ্ছেন মাতা-পিতা। দশ মাস দশদিন গর্ভে ধারণ করেছেন মাতা। ছোট থেকে বড় করেছেন মাতা। নিজে না খেয়ে সন্তানকে খাইয়েছেন মাতা-ই। আর সারা দিন রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে কর্মক্লান্ত শরীর নিয়ে সন্তানের এক পসরা সুখ- শান্তির জন্য যিনি পরিশ্রম করেছেন তিনি হচ্ছেন পিতা। মনে রাখতে হবে আজকে যারা নবীন তারাই আগামীর প্রবীন। ভাল কাজ গুলো ভাল হয়ে ফিরে আসবে আপনার জীবনে, খারাপ কাজ গুলোও ঠিক তাই। মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে বলেন, “ আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো ইবাদত করো না এবং পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার করো”- ( সূরা বনী ইসরাঈল, আয়াত নং- ২৩)। এ আয়াতের ব্যাখ্যায় ইমাম কুরতুবী (রহ.) বলেন, এ আয়াতে আল্লাহ পাক পিতা- মাতার সম্মান এবং তাঁদের সাথে সদ্ব্যবহার করাকে নিজের ইবাদতের সাথে বর্ণনা করে সন্তানের ওপর তা অপরিহার্য করেছেন।
হযরত মুহম্মদ (সা.) বলেন, পিতা-মাতার সন্তুষ্টিতে আল্লাহ সন্তুষ্ট হন আর পিতা-মাতার অসন্তুষ্টিতে আল্লাহ অসন্তুষ্ট হন।- তিরমিযী শরীফ
পিতা-মাতাকে কোনরূপ কষ্ট দেওয়া পবিত্র ইসলাম ধর্মে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সঙ্গত কারণে যদি মাতা-পিতা সন্তানকে প্রহার করেন তাহলে তাদের সামনে সন্তানের জন্য উহ্ শব্দ ব্যবহার করা হারাম করা হয়েছে। মাতা-পিতা সন্তান জন্ম দিয়েছেন, ভরণ-পোষণ করেছেন, শিক্ষিত করে চাকুরীজীবী বানিয়েছেন তবুও জীবনের যবনিকায় এসে তাদের ভাগ্যে একপসরা সুখ যেন আকাশের চাঁদ। বিয়ের আগে ছেলে সন্তান মাতা-পিতার কাছে হিরার টুকরা থাকে। বিয়ের পর থেকেই ক্রমশ সেই ভালবাসায় ছেদ পড়তে থাকে। এর কারণ কী ? বিয়ের আগে ছেলে সন্তানরা মা- বাবাকে কষ্ট দিলেও চোখবুজে তারা সহ্য করে নেন, বিয়ের পর এমনটি হলে তারা বউমার দিকে তীর ছুঁড়েন। তখন অনেক মাতা-পিতাই ইতিবাচক থাকতে পারেন না। এ ত্রুটি অন্বেষণের জন্য উভয় পক্ষ থেকে দূরত্ব সৃষ্টি হয়। তবে হে এটা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই কোনো কোনো বধূদের হাত থাকে। বধূরা আরো সতর্ক হতে হবে, হতে হবে আরো দায়িত্বশীল এবং ত্যাগের মহিমারূপে। অনেক বউমারা শ্বশুড়- শ্বাশুড়ীকে মাতা-পিতা হিসেবে মেনে নিতে অনেকটাই নারাজ ! শ্বাশুড়ীড়া ও বউমাকে স্বীয় মেয়ের মতো করে ভাবতে কার্পণ্য করেন। এ দু’টার কোনোটাই কাম্য নয়। বউমাদের অনুধাবন করতে হবে তুমি আজ একজনের পুত্র বধু, সময়ের বিবর্তনে তুমিও হবে একদিন শ্বাশুড়ী। শ্বশড়- শ্বাশুড়ীর সাথে বধূ যে রূপ আচরণ করবে সেটাই ভবিষ্যতে তার ললাটে থাকবে। সাবধান ! বুদ্ধিমান সে যে কখনোই মাতা-পিতার অবাধ্য হয়ে/ নির্যাতন/ বৃদ্ধাশ্রমে দিয়ে স্বীয় পায়ে কুঁড়াল মারবে না।
আব্রাহাম লিংকন বলেন, “ দুনিয়াতে যার মা’ আছে সে কখনোই গরীব নয়”।
জনপ্রিয় কথা সাহিত্যিক হূমায়ূন আহমেদ বলেন, “ বাবা- মা’র প্রথম সন্তান হচ্ছে চমৎকার একটি জীবন্ত খেলা। এই খেলনার সবাই ভালো। খেলনা যখন হাসে মা-বাবা হাসে। খেলনা যখন কাঁদে বাবা-মা’র মুখ অন্ধকার হয়ে যায়।

সম্পাদক ও প্রকাশক : তরঙ্গ টোয়েন্টিফোর ডটকম।