ঢাকা ১২:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সাংবাদিক মঈন উদ্দিন এঁর পিতার মৃত্যুতে তরঙ্গ২৪.কম পরিবার গভীরভাবে শোকাহত Logo গ্যানিংগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে নানা আয়োজনে মহান বিজয় দিবস উদযাপন Logo মহান বিজয় দিবসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে বানিয়াচং মডেল প্রেসক্লাব Logo দেশবাসীকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ‘বানিয়াচং ইসলামি নাগরিক ফোরাম’ নেতৃবৃন্দ Logo নূরানী শিক্ষা বোর্ডে মেধা তালিকায় ২য় হয়েছে গ্যানিংগঞ্জ বাজার নূরানী মাদ্রাসার ছাত্রী মুনতাহা আক্তার Logo বানিয়াচংয়ে ১২কেজি গাঁজাসহ কুখ্যাত ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার Logo বানিয়াচং শাহজালাল কে.জি স্কুল ২০২৩ বৃত্তি পরীক্ষায় ঈর্ষণীয় সাফল্য Logo চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার হোসেন ডা. ইলিয়াছ একাডেমির ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচিত Logo ৪০তম তাফসিরুল কোরআন মহা সম্মেলন সফল করায় আলহাজ্ব রেজাউল মোহিত খানের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ Logo ইফার সাবেক ফিল্ড অফিসার আব্দুল ওয়াদুদের মৃত্যুতে জেলা মউশিক কল্যাণ পরিষদ নেতৃবৃন্দের শোক

নবীগঞ্জে যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় নাসিমার পরিবারে নেমে এসেছে অমানবিক নির্যাতন

  • তরঙ্গ ২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ০৪:৫৭:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২১
  • ১৩৯ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টারঃ স্বামীকে যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় সিলেটের ওসমানী নগর থানার তাহির পুরে যৌতুকলোভী শশুরবাড়ীর লোকজনের নির্যাতনের শিকার হয়ে নবীগঞ্জের ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের চাঁন পুর গ্রামের অসহায় ৩ সন্তানের জননী মৃত আপ্তাব আলীর মেয়ে মোছাঃ নাসিমা বেগমের পরিবারে নেমে এসেছে অমানবিক নির্যাতনের ষ্টিম রোলার৷ নির্যাতনের শিকার হয়ে নাসিমার ৩টি অবুঝ সন্তান নিয়ে বিগত দেড় বছরধরে পিত্রালয়ে বসবাস করছেন হতবাগিনী মা।তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে ও জানান এবং তার সন্তানদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করছেন তিনি৷ এ ঘটনায় যৌতুকের শিকার নাসিমা বেগম বাদী হয়ে হবিগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (কগ-৫) আদালতে যৌতুক নিরোধ আইন ( সংশোধিত ২০১৮ ইং) এর ৩ ধারায় তার স্বামী ওসমানী নগর থানার তাহির পুর গ্রামের মৃত আঃ ছালামের পুত্র লেছু মিয়া (৪০) ও তার চাচাতো ভাই মৃত আব্দুল গনির পুত্র আবু বক্কর মিয়া (৪২) কে আসামী করে মামলা দায়ের করেছেন।এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালের ৫ ফেব্রুয়ারিতে তার বিবাহ হয় বর্তমানে তাদের সংসারে ২ছেলে ও ১টি মেয়ে সন্তান রয়েছে৷ তার স্বামী একজন সহজ সরল প্রকৃতির লোক ও বাকপ্রতিবন্ধী ব্যক্তি ৷ ২নং আসামী বক্কর মিয়া একজন প্রতারক, চরিত্রহীনও লম্পট প্রকৃতির লোক৷ বক্কর মিয়া তার স্বামীকে বিভিন্নভাবে কুপরামর্শ দিয়ে একপর্যায়ে টমটম গাড়ী ক্রয় করে দেওয়ার প্রলুব্ধ করে নাসিমার মা-ভাইদের কাছথেকে ১ লক্ষ টাকা যৌতুক বাবদ দেওয়ার জন্য তার স্বামীর মাধ্যমে চাপ প্রয়োগ ও একাধিক বার নির্যাতন করেন৷ উক্ত টাকা দেওয়া নাসিমার পরিবারের লোকজনের সামর্থ্য না থাকায় নাসিমার উপর নেমে আসে নানা নির্যাতন। একপর্যায়ে নাসিমার স্বামী ও বক্কর মিয়ার মাধ্যমে ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ইং সনে সন্তানদের নিয়ে নির্যাতনের শিকার হয়ে তিনি তার পিত্রালয়ে চলে আসলে। টাকা দিতে না পারায় তাদেরকে নাসিমার পিত্রালয়ে ফেলে রেখে চলে যায় বক্করের প্ররোচনায়৷ এর পরথেকে অদ্যবদি নাসিমা তার অবুঝ সন্তানদের নিয়ে তার মা-ভাইদের সাথেই আছেন৷ তার স্বামী বা তার শশুর বাড়ীর কেউই তাদের খোঁজ খবর নেননা৷ এদিকে উক্ত ঘটনায মামলার প্রেক্ষিতে উল্লেখিত আসামীরা সম্প্রতি প্রায় মাসখানেক হাজতবাস করেন।এ মামলাটি বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন থাকায় তারা ক্ষিপ্ত হয়ে নাসিমার ভাই হামদু মিয়াকে প্রাণে হত্যার উদ্দেশ্য বক্করের ভাই আকবর মিয়া ও আহমদ আলী হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত জখম করলে  নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়ে পরবর্তীতে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে একই আদালতে আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়৷ এঘটনায় নির্যাতনের শিকার নাসিমার পরিবারের লোকজন এখনো তাদের নানা হুমকি ধামকিতে আতঙ্কে দিনাতিপাত করছেন বলেও নাসিমা বেগম জানিয়েছেন৷ তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেন৷

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাংবাদিক মঈন উদ্দিন এঁর পিতার মৃত্যুতে তরঙ্গ২৪.কম পরিবার গভীরভাবে শোকাহত

নবীগঞ্জে যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় নাসিমার পরিবারে নেমে এসেছে অমানবিক নির্যাতন

আপডেট সময় ০৪:৫৭:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২১

স্টাফ রিপোর্টারঃ স্বামীকে যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় সিলেটের ওসমানী নগর থানার তাহির পুরে যৌতুকলোভী শশুরবাড়ীর লোকজনের নির্যাতনের শিকার হয়ে নবীগঞ্জের ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের চাঁন পুর গ্রামের অসহায় ৩ সন্তানের জননী মৃত আপ্তাব আলীর মেয়ে মোছাঃ নাসিমা বেগমের পরিবারে নেমে এসেছে অমানবিক নির্যাতনের ষ্টিম রোলার৷ নির্যাতনের শিকার হয়ে নাসিমার ৩টি অবুঝ সন্তান নিয়ে বিগত দেড় বছরধরে পিত্রালয়ে বসবাস করছেন হতবাগিনী মা।তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে ও জানান এবং তার সন্তানদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করছেন তিনি৷ এ ঘটনায় যৌতুকের শিকার নাসিমা বেগম বাদী হয়ে হবিগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (কগ-৫) আদালতে যৌতুক নিরোধ আইন ( সংশোধিত ২০১৮ ইং) এর ৩ ধারায় তার স্বামী ওসমানী নগর থানার তাহির পুর গ্রামের মৃত আঃ ছালামের পুত্র লেছু মিয়া (৪০) ও তার চাচাতো ভাই মৃত আব্দুল গনির পুত্র আবু বক্কর মিয়া (৪২) কে আসামী করে মামলা দায়ের করেছেন।এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালের ৫ ফেব্রুয়ারিতে তার বিবাহ হয় বর্তমানে তাদের সংসারে ২ছেলে ও ১টি মেয়ে সন্তান রয়েছে৷ তার স্বামী একজন সহজ সরল প্রকৃতির লোক ও বাকপ্রতিবন্ধী ব্যক্তি ৷ ২নং আসামী বক্কর মিয়া একজন প্রতারক, চরিত্রহীনও লম্পট প্রকৃতির লোক৷ বক্কর মিয়া তার স্বামীকে বিভিন্নভাবে কুপরামর্শ দিয়ে একপর্যায়ে টমটম গাড়ী ক্রয় করে দেওয়ার প্রলুব্ধ করে নাসিমার মা-ভাইদের কাছথেকে ১ লক্ষ টাকা যৌতুক বাবদ দেওয়ার জন্য তার স্বামীর মাধ্যমে চাপ প্রয়োগ ও একাধিক বার নির্যাতন করেন৷ উক্ত টাকা দেওয়া নাসিমার পরিবারের লোকজনের সামর্থ্য না থাকায় নাসিমার উপর নেমে আসে নানা নির্যাতন। একপর্যায়ে নাসিমার স্বামী ও বক্কর মিয়ার মাধ্যমে ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ইং সনে সন্তানদের নিয়ে নির্যাতনের শিকার হয়ে তিনি তার পিত্রালয়ে চলে আসলে। টাকা দিতে না পারায় তাদেরকে নাসিমার পিত্রালয়ে ফেলে রেখে চলে যায় বক্করের প্ররোচনায়৷ এর পরথেকে অদ্যবদি নাসিমা তার অবুঝ সন্তানদের নিয়ে তার মা-ভাইদের সাথেই আছেন৷ তার স্বামী বা তার শশুর বাড়ীর কেউই তাদের খোঁজ খবর নেননা৷ এদিকে উক্ত ঘটনায মামলার প্রেক্ষিতে উল্লেখিত আসামীরা সম্প্রতি প্রায় মাসখানেক হাজতবাস করেন।এ মামলাটি বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন থাকায় তারা ক্ষিপ্ত হয়ে নাসিমার ভাই হামদু মিয়াকে প্রাণে হত্যার উদ্দেশ্য বক্করের ভাই আকবর মিয়া ও আহমদ আলী হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত জখম করলে  নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়ে পরবর্তীতে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে একই আদালতে আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়৷ এঘটনায় নির্যাতনের শিকার নাসিমার পরিবারের লোকজন এখনো তাদের নানা হুমকি ধামকিতে আতঙ্কে দিনাতিপাত করছেন বলেও নাসিমা বেগম জানিয়েছেন৷ তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেন৷