ঢাকা ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সাংবাদিক মঈন উদ্দিন এঁর পিতার মৃত্যুতে তরঙ্গ২৪.কম পরিবার গভীরভাবে শোকাহত Logo গ্যানিংগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে নানা আয়োজনে মহান বিজয় দিবস উদযাপন Logo মহান বিজয় দিবসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে বানিয়াচং মডেল প্রেসক্লাব Logo দেশবাসীকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ‘বানিয়াচং ইসলামি নাগরিক ফোরাম’ নেতৃবৃন্দ Logo নূরানী শিক্ষা বোর্ডে মেধা তালিকায় ২য় হয়েছে গ্যানিংগঞ্জ বাজার নূরানী মাদ্রাসার ছাত্রী মুনতাহা আক্তার Logo বানিয়াচংয়ে ১২কেজি গাঁজাসহ কুখ্যাত ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার Logo বানিয়াচং শাহজালাল কে.জি স্কুল ২০২৩ বৃত্তি পরীক্ষায় ঈর্ষণীয় সাফল্য Logo চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার হোসেন ডা. ইলিয়াছ একাডেমির ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচিত Logo ৪০তম তাফসিরুল কোরআন মহা সম্মেলন সফল করায় আলহাজ্ব রেজাউল মোহিত খানের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ Logo ইফার সাবেক ফিল্ড অফিসার আব্দুল ওয়াদুদের মৃত্যুতে জেলা মউশিক কল্যাণ পরিষদ নেতৃবৃন্দের শোক

চুনারুঘাটের সাতছড়িতে বিজিবি’র অভিযান, ১৮ টি রকেট লাঞ্চার উদ্ধার

  • তরঙ্গ ২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ১১:১০:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ মার্চ ২০২১
  • ৬২ বার পড়া হয়েছে

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি : হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার ত্রিপুরা সীমান্তবর্তী সাতছড়ির গহীন অরন্য থেকে আবারও বিপুল ভারী অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। সাতছড়ি বন থেকে এবার অস্ত্র উদ্ধার করেছে বিজিবি। বিজিবি’র ৫৫ ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল সামি উন নবী চৌধুরীর নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। মঙ্গলবার(২রা মার্চ) এই অভিযানে ১৮টি রকেট লাঞ্চার উদ্ধার করা হয়। সামি উন নবী চৌধুরী গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাতছড়ির গহীন বনের একটি গোপন ব্যাংকারে গোলা বারুদ রয়েছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে তারা সেখানে মঙ্গলবার বিকাল থেকে অবস্থান নেন। টানা ১০ ঘন্টার অভিযান শেষে রকেট লাঞ্চার উদ্ধার করা হয়। সাতছড়ি বনে এতো বিপুল পরিমান গোলা বারুদ কোথা থেকে এসেছে তা জানাতে পারেননি তিনি।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ১ জুন থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন দফায় ৩৩৪টি কামান বিধ্বংসী রকেট, ২৯৬টি রকেট চার্জার, ১টি রকেট লঞ্চার, ১৬টি মেশিনগান, ১টি বেটাগান, ৬টি এসএলআর, ১টি অটো রাইফেল, ৫টি মেশিনগানের অতিরিক্ত খালি ব্যারেল ও প্রায় ১৬ হাজার গুলিসহ বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ উদ্ধার করে র্যাব। একই বছরের ১৬ অক্টোবর উদ্ধার করা হয় ৩টি মেশিনগান, ৪টি ব্যারেল, ৮টি ম্যাগাজিন, ২৫০টি গুলির ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ৮টি বেল্ট ও উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ১টি রেডিও।

এর এক দিন পর ১৭ অক্টোবর আবারও উদ্ধার করা হয় এসএমজি ও এলএমজির ৮ হাজার ৩৬০টি, থ্রি নট থ্রি রাইফেলের ১৫২টি, পিস্তলের ৫১৭টি, মেশিনগানের ৪২৫টিসহ মোট ৯ হাজার ৪৫৪টি বুলেট। পাশাপাশি ২০১৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি উদ্ধার করা হয় ১০টি হাই এক্সক্লুসিভ ৪০ এমএম অ্যান্টি-ট্যাংক রকেট। একই বছর একই স্থান থেকে উদ্ধার করা হয় ১৩টি আরপিজি বিস্ফোরক, ১১টি রকেট লঞ্চারের চার্জার ও ১৩টি রাবার পাইপ। সর্বশেষ গত মঙ্গলবার রাতে উদ্ধার হলো ১৮টি রকেট লাঞ্চার।

২০০৩ সালে ২৭ জুন বগুড়ার কাহালুতে আনারসভর্তি ট্রাকে (নম্বর ঢাকা মেট্রো-ট-১১-৩৩৬৬) যে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ ধরা পড়েছিল, এ অস্ত্রের চালানটি সাতছড়ি থেকে গিয়েছিল। সে সময়ে ওই গাড়ির চালক বাহুবলের আলতু মিয়া আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধরা পড়ে। এ ঘটনার সঙ্গে সাতছড়ি টিপরা বস্তির হেডম্যান যোগেশ দেব বর্মার ভাতিজা আশীষ দেব বর্মা জড়িত ছিল। তার বিরুদ্ধে পুলিশের উচ্চ পর্যায়ের তদন্তে চার্জশিট হয়। তবে এখন পর্যন্ত আশিষ দেব বর্মাকে আটক করতে পারেনি আইন শৃংখলা বাহিনী।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাংবাদিক মঈন উদ্দিন এঁর পিতার মৃত্যুতে তরঙ্গ২৪.কম পরিবার গভীরভাবে শোকাহত

চুনারুঘাটের সাতছড়িতে বিজিবি’র অভিযান, ১৮ টি রকেট লাঞ্চার উদ্ধার

আপডেট সময় ১১:১০:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ মার্চ ২০২১

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি : হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার ত্রিপুরা সীমান্তবর্তী সাতছড়ির গহীন অরন্য থেকে আবারও বিপুল ভারী অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। সাতছড়ি বন থেকে এবার অস্ত্র উদ্ধার করেছে বিজিবি। বিজিবি’র ৫৫ ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল সামি উন নবী চৌধুরীর নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। মঙ্গলবার(২রা মার্চ) এই অভিযানে ১৮টি রকেট লাঞ্চার উদ্ধার করা হয়। সামি উন নবী চৌধুরী গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাতছড়ির গহীন বনের একটি গোপন ব্যাংকারে গোলা বারুদ রয়েছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে তারা সেখানে মঙ্গলবার বিকাল থেকে অবস্থান নেন। টানা ১০ ঘন্টার অভিযান শেষে রকেট লাঞ্চার উদ্ধার করা হয়। সাতছড়ি বনে এতো বিপুল পরিমান গোলা বারুদ কোথা থেকে এসেছে তা জানাতে পারেননি তিনি।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ১ জুন থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন দফায় ৩৩৪টি কামান বিধ্বংসী রকেট, ২৯৬টি রকেট চার্জার, ১টি রকেট লঞ্চার, ১৬টি মেশিনগান, ১টি বেটাগান, ৬টি এসএলআর, ১টি অটো রাইফেল, ৫টি মেশিনগানের অতিরিক্ত খালি ব্যারেল ও প্রায় ১৬ হাজার গুলিসহ বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ উদ্ধার করে র্যাব। একই বছরের ১৬ অক্টোবর উদ্ধার করা হয় ৩টি মেশিনগান, ৪টি ব্যারেল, ৮টি ম্যাগাজিন, ২৫০টি গুলির ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ৮টি বেল্ট ও উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ১টি রেডিও।

এর এক দিন পর ১৭ অক্টোবর আবারও উদ্ধার করা হয় এসএমজি ও এলএমজির ৮ হাজার ৩৬০টি, থ্রি নট থ্রি রাইফেলের ১৫২টি, পিস্তলের ৫১৭টি, মেশিনগানের ৪২৫টিসহ মোট ৯ হাজার ৪৫৪টি বুলেট। পাশাপাশি ২০১৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি উদ্ধার করা হয় ১০টি হাই এক্সক্লুসিভ ৪০ এমএম অ্যান্টি-ট্যাংক রকেট। একই বছর একই স্থান থেকে উদ্ধার করা হয় ১৩টি আরপিজি বিস্ফোরক, ১১টি রকেট লঞ্চারের চার্জার ও ১৩টি রাবার পাইপ। সর্বশেষ গত মঙ্গলবার রাতে উদ্ধার হলো ১৮টি রকেট লাঞ্চার।

২০০৩ সালে ২৭ জুন বগুড়ার কাহালুতে আনারসভর্তি ট্রাকে (নম্বর ঢাকা মেট্রো-ট-১১-৩৩৬৬) যে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ ধরা পড়েছিল, এ অস্ত্রের চালানটি সাতছড়ি থেকে গিয়েছিল। সে সময়ে ওই গাড়ির চালক বাহুবলের আলতু মিয়া আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধরা পড়ে। এ ঘটনার সঙ্গে সাতছড়ি টিপরা বস্তির হেডম্যান যোগেশ দেব বর্মার ভাতিজা আশীষ দেব বর্মা জড়িত ছিল। তার বিরুদ্ধে পুলিশের উচ্চ পর্যায়ের তদন্তে চার্জশিট হয়। তবে এখন পর্যন্ত আশিষ দেব বর্মাকে আটক করতে পারেনি আইন শৃংখলা বাহিনী।