ঢাকা ০১:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সাংবাদিক মঈন উদ্দিন এঁর পিতার মৃত্যুতে তরঙ্গ২৪.কম পরিবার গভীরভাবে শোকাহত Logo গ্যানিংগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে নানা আয়োজনে মহান বিজয় দিবস উদযাপন Logo মহান বিজয় দিবসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে বানিয়াচং মডেল প্রেসক্লাব Logo দেশবাসীকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ‘বানিয়াচং ইসলামি নাগরিক ফোরাম’ নেতৃবৃন্দ Logo নূরানী শিক্ষা বোর্ডে মেধা তালিকায় ২য় হয়েছে গ্যানিংগঞ্জ বাজার নূরানী মাদ্রাসার ছাত্রী মুনতাহা আক্তার Logo বানিয়াচংয়ে ১২কেজি গাঁজাসহ কুখ্যাত ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার Logo বানিয়াচং শাহজালাল কে.জি স্কুল ২০২৩ বৃত্তি পরীক্ষায় ঈর্ষণীয় সাফল্য Logo চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার হোসেন ডা. ইলিয়াছ একাডেমির ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচিত Logo ৪০তম তাফসিরুল কোরআন মহা সম্মেলন সফল করায় আলহাজ্ব রেজাউল মোহিত খানের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ Logo ইফার সাবেক ফিল্ড অফিসার আব্দুল ওয়াদুদের মৃত্যুতে জেলা মউশিক কল্যাণ পরিষদ নেতৃবৃন্দের শোক

কিংবদন্তি ডাক্তার জাকিয়া সুলতানার মৃত্যু ও কিছু কথা

  • তরঙ্গ ২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ০৫:২১:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০
  • ১৭৩ বার পড়া হয়েছে
আবুসালেহ আহমদ : সিলেটের খ্যাতনামা চিকিৎসক অধ্যাপক জাকিয়া সুলতানার মৃত্যুতে শুক্রবার (২৩/১০/২০২০) শহরে নেমে আসে শোকের ছায়া । ঝড়-বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে শত শত ছাত্র-ছাত্রী,প্রিয় সহকর্মি,শুভাকাঙ্খী তাঁকে এক নজর দেখা ও জানাজায় শরিক হওয়ার জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। লাশটি কখন আসবে, আসছে না কেন এই উৎকন্ঠা বিরাজ করছিল মানুষের মাঝে। এই প্রতিকূল অবস্থায়ও ঢাকা,হবিগঞ্জ, বানিয়াচং থেকে অনেক গুনীজনরা এসেছেন শেষবিদায় জানানোর জন্য। শেষ দোয়াটি করে যাওয়ার আকুলতায় আমার মতো অনেকই রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকেন অনেকক্ষণ। স্বামী চক্ষু রোগ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক কর্নেল মোশাহিদ ঠাকুর নিজ হাতে সহধর্মিণীকে কবরে শুয়ে দেওয়ার হৃদয়গ্রাহী দৃশ্য ছিল হৃদয়গাহী। সত্যি তিনি যে একজন কিংবদন্তি চিকিৎসক, মানুষ ও মানবতার ফেরিওয়ালা ছিলেন মানুষের ভালোবাসা মধ্যে দিয়ে এর সুস্পষ্ট প্রমাণ তিনি রেখে যেতে পেরেছেন। সবার একই কথা, তিনি ছিলেন একজন উদার, মানবিক মর্যাদা সম্পন্ন ও ভাবগাম্ভীর্য পূর্ণ শিক্ষক। তাঁর হাতে গড়া শত শত ছাত্র- ছাত্রী আজ দেশের খ্যাতনামা চিকিৎসক ও ইন্টার্নি হিসেবে সমাজে অনেক অবদান রাখছে। এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজের ক্যাম্পাসে প্রথম জানাজার পূর্বে উক্ত কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাক্তার মঈনুল হক সাহেবের বক্তব্য সকলকে আকৃষ্ট করে তিনি বলেন ” জাকিয়া সুলতানা ছিলেন একজন নীতিবান ডাক্তার। দীর্ঘ সতেরো বছর ধরে এই কলেজে তথা এনাটমি বিভাগের যে নিরলস পরিশ্রম করে গেছেন তা ইতিহাস হয়ে থাকবে । তিনি আমাদের করে গেছেন চিরঋণী। তিনি ও তাঁর পরিবার যে ভাবে চিকিৎসা সেবায় নিজকে উৎসর্গ করেছেন তা অতুলনীয় । ” সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজের এনাটমি বিভাগের প্রধান হলেও তিনি সাধারণ ডাক্তারের মতোই চলতেন। চিকিৎসা সেবা ও শিক্ষাদানে তাঁর সহজ সরলতা সকলকে মুগ্ধ করতো। সতের বছর ধরে এই কলেজে চাকরি করার সুবাদে ছাত্র- ছাত্রী, সহকর্মী ও স্টাফদের কাছে হয়ে উঠেছিলেন এক কিংবদন্তি ডাক্তার। সংসার জীবনেও এই প্রেরণা ও মমতাময়ী গুণী মানুষটির অবদান অবিস্মরণীয়। ওসমানী মেডিকেল কলেজের ক্যাম্পাসে প্রথম ও হয়রত শাহজালাল দরগা শরীফে ২য় জানাজা শেষে ঐ রাতেই মরহুমাকে দরগার কবরস্থানে সমাহিত করা হয় । মরহুমা অধ্যাপক ডা.  জাকিয়া সুলতানা ছিলেন বানিয়াচংয়ের পুত্রবধূ। আজকের এ দিনে এ মহিয়সী চিকিৎসকের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। আমীন
লেখক : কবি, সাহিত্যিক ও গবেষক, সিলেট।

 

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাংবাদিক মঈন উদ্দিন এঁর পিতার মৃত্যুতে তরঙ্গ২৪.কম পরিবার গভীরভাবে শোকাহত

কিংবদন্তি ডাক্তার জাকিয়া সুলতানার মৃত্যু ও কিছু কথা

আপডেট সময় ০৫:২১:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০
আবুসালেহ আহমদ : সিলেটের খ্যাতনামা চিকিৎসক অধ্যাপক জাকিয়া সুলতানার মৃত্যুতে শুক্রবার (২৩/১০/২০২০) শহরে নেমে আসে শোকের ছায়া । ঝড়-বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে শত শত ছাত্র-ছাত্রী,প্রিয় সহকর্মি,শুভাকাঙ্খী তাঁকে এক নজর দেখা ও জানাজায় শরিক হওয়ার জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। লাশটি কখন আসবে, আসছে না কেন এই উৎকন্ঠা বিরাজ করছিল মানুষের মাঝে। এই প্রতিকূল অবস্থায়ও ঢাকা,হবিগঞ্জ, বানিয়াচং থেকে অনেক গুনীজনরা এসেছেন শেষবিদায় জানানোর জন্য। শেষ দোয়াটি করে যাওয়ার আকুলতায় আমার মতো অনেকই রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকেন অনেকক্ষণ। স্বামী চক্ষু রোগ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক কর্নেল মোশাহিদ ঠাকুর নিজ হাতে সহধর্মিণীকে কবরে শুয়ে দেওয়ার হৃদয়গ্রাহী দৃশ্য ছিল হৃদয়গাহী। সত্যি তিনি যে একজন কিংবদন্তি চিকিৎসক, মানুষ ও মানবতার ফেরিওয়ালা ছিলেন মানুষের ভালোবাসা মধ্যে দিয়ে এর সুস্পষ্ট প্রমাণ তিনি রেখে যেতে পেরেছেন। সবার একই কথা, তিনি ছিলেন একজন উদার, মানবিক মর্যাদা সম্পন্ন ও ভাবগাম্ভীর্য পূর্ণ শিক্ষক। তাঁর হাতে গড়া শত শত ছাত্র- ছাত্রী আজ দেশের খ্যাতনামা চিকিৎসক ও ইন্টার্নি হিসেবে সমাজে অনেক অবদান রাখছে। এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজের ক্যাম্পাসে প্রথম জানাজার পূর্বে উক্ত কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাক্তার মঈনুল হক সাহেবের বক্তব্য সকলকে আকৃষ্ট করে তিনি বলেন ” জাকিয়া সুলতানা ছিলেন একজন নীতিবান ডাক্তার। দীর্ঘ সতেরো বছর ধরে এই কলেজে তথা এনাটমি বিভাগের যে নিরলস পরিশ্রম করে গেছেন তা ইতিহাস হয়ে থাকবে । তিনি আমাদের করে গেছেন চিরঋণী। তিনি ও তাঁর পরিবার যে ভাবে চিকিৎসা সেবায় নিজকে উৎসর্গ করেছেন তা অতুলনীয় । ” সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজের এনাটমি বিভাগের প্রধান হলেও তিনি সাধারণ ডাক্তারের মতোই চলতেন। চিকিৎসা সেবা ও শিক্ষাদানে তাঁর সহজ সরলতা সকলকে মুগ্ধ করতো। সতের বছর ধরে এই কলেজে চাকরি করার সুবাদে ছাত্র- ছাত্রী, সহকর্মী ও স্টাফদের কাছে হয়ে উঠেছিলেন এক কিংবদন্তি ডাক্তার। সংসার জীবনেও এই প্রেরণা ও মমতাময়ী গুণী মানুষটির অবদান অবিস্মরণীয়। ওসমানী মেডিকেল কলেজের ক্যাম্পাসে প্রথম ও হয়রত শাহজালাল দরগা শরীফে ২য় জানাজা শেষে ঐ রাতেই মরহুমাকে দরগার কবরস্থানে সমাহিত করা হয় । মরহুমা অধ্যাপক ডা.  জাকিয়া সুলতানা ছিলেন বানিয়াচংয়ের পুত্রবধূ। আজকের এ দিনে এ মহিয়সী চিকিৎসকের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। আমীন
লেখক : কবি, সাহিত্যিক ও গবেষক, সিলেট।