ঢাকা ০৩:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সাংবাদিক মঈন উদ্দিন এঁর পিতার মৃত্যুতে তরঙ্গ২৪.কম পরিবার গভীরভাবে শোকাহত Logo গ্যানিংগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে নানা আয়োজনে মহান বিজয় দিবস উদযাপন Logo মহান বিজয় দিবসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে বানিয়াচং মডেল প্রেসক্লাব Logo দেশবাসীকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ‘বানিয়াচং ইসলামি নাগরিক ফোরাম’ নেতৃবৃন্দ Logo নূরানী শিক্ষা বোর্ডে মেধা তালিকায় ২য় হয়েছে গ্যানিংগঞ্জ বাজার নূরানী মাদ্রাসার ছাত্রী মুনতাহা আক্তার Logo বানিয়াচংয়ে ১২কেজি গাঁজাসহ কুখ্যাত ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার Logo বানিয়াচং শাহজালাল কে.জি স্কুল ২০২৩ বৃত্তি পরীক্ষায় ঈর্ষণীয় সাফল্য Logo চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার হোসেন ডা. ইলিয়াছ একাডেমির ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচিত Logo ৪০তম তাফসিরুল কোরআন মহা সম্মেলন সফল করায় আলহাজ্ব রেজাউল মোহিত খানের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ Logo ইফার সাবেক ফিল্ড অফিসার আব্দুল ওয়াদুদের মৃত্যুতে জেলা মউশিক কল্যাণ পরিষদ নেতৃবৃন্দের শোক

অহংকার পতনের মূল

  • তরঙ্গ ২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ০২:০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২০
  • ১৮০ বার পড়া হয়েছে

আলহাদী ॥ একদা এক দরবেশ এলাকার এক ধনাঢ্য পরিবারে হাঁক দিলেন খাবারের জন্য। ধনাঢ্য ব্যক্তিটি ছিল খুব অহংকারি এবং হিংস্র স্বভাবের। দরবেশের উপস্থিতি সহ্য হলো না তার। ধন্যাঢ্য ব্যক্তি অধীনস্থ ভৃত্যদের নির্দেশ দিলেন দরবেশকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়ার জন্য। যেই ভাবা সেই কাজ। কোনো কিছু খাবার না দিয়েই মালিকের নির্দেশ মতে দরবেশকে গলা ধাক্কা দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হলো। মালিকের এ আচরণে খুব ব্যথিত হন দরবেশ। সময়ের বিবর্তনে একদিন এক ভিক্ষুক হাঁক দিল আরেক বিত্তশালীর বাড়িতে। বাড়ির মালিক অধীনস্থদের নির্দেশ দিলেন ভিক্ষুককে উদর ভরে খাবার দেওয়ার জন্য। ভৃত্য খাবার নিয়ে যখন আসলো তখন চিৎকার দিয়ে অশ্রুসিক্ত নয়নে মালিকের দরবারে পুনরায় চলে গেল। ভিক্ষুক্ষকে না দিয়ে খাবার কেন ফেরত আনা হলো তাতে ধমকালেন মালিক ?
ভৃত্য বললো, ওই যে ভিক্ষুক তিনি এক সময় আমার মালিক ছিলেন। আজ তিনি ভিক্ষুক এ জন্য কাঁদছি! মালিক বললেন, ওই পরিণতি তার প্রাপ্য ছিল, আজ সে পেয়েছে। কোনো একদিন আমি তার দরবারে গিয়েছিলাম অভুক্ত হয়ে খাবারের জন্য। হাঁক দিতেই সে তার অধীনস্থদের দিয়ে আমাকে লাঞ্চিত করেছে এবং খাবার না দিয়ে তাড়িয়ে দিয়েছিল। সে ছিল বড় অহংকারি। অসহায়-গরীব মানুষদের দেখলে হিংসা করতো। প্রতিনিয়ত ধন সম্পদের বড়াই করতো। আজ সে রাস্তার ভিখারী আর আমি বিরাট ধন-সম্পত্তির মালিক। সবকিছু মহান মালিকের ইচ্ছা। তাকে তাড়িয়ে না দিয়ে পেট ভরে খাবার দাও। সে ইচ্ছা মাফিক ভোজন করুক। তাতে কেউ বাঁধা দিবে না এ আমার নির্দেশ।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাংবাদিক মঈন উদ্দিন এঁর পিতার মৃত্যুতে তরঙ্গ২৪.কম পরিবার গভীরভাবে শোকাহত

অহংকার পতনের মূল

আপডেট সময় ০২:০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২০

আলহাদী ॥ একদা এক দরবেশ এলাকার এক ধনাঢ্য পরিবারে হাঁক দিলেন খাবারের জন্য। ধনাঢ্য ব্যক্তিটি ছিল খুব অহংকারি এবং হিংস্র স্বভাবের। দরবেশের উপস্থিতি সহ্য হলো না তার। ধন্যাঢ্য ব্যক্তি অধীনস্থ ভৃত্যদের নির্দেশ দিলেন দরবেশকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়ার জন্য। যেই ভাবা সেই কাজ। কোনো কিছু খাবার না দিয়েই মালিকের নির্দেশ মতে দরবেশকে গলা ধাক্কা দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হলো। মালিকের এ আচরণে খুব ব্যথিত হন দরবেশ। সময়ের বিবর্তনে একদিন এক ভিক্ষুক হাঁক দিল আরেক বিত্তশালীর বাড়িতে। বাড়ির মালিক অধীনস্থদের নির্দেশ দিলেন ভিক্ষুককে উদর ভরে খাবার দেওয়ার জন্য। ভৃত্য খাবার নিয়ে যখন আসলো তখন চিৎকার দিয়ে অশ্রুসিক্ত নয়নে মালিকের দরবারে পুনরায় চলে গেল। ভিক্ষুক্ষকে না দিয়ে খাবার কেন ফেরত আনা হলো তাতে ধমকালেন মালিক ?
ভৃত্য বললো, ওই যে ভিক্ষুক তিনি এক সময় আমার মালিক ছিলেন। আজ তিনি ভিক্ষুক এ জন্য কাঁদছি! মালিক বললেন, ওই পরিণতি তার প্রাপ্য ছিল, আজ সে পেয়েছে। কোনো একদিন আমি তার দরবারে গিয়েছিলাম অভুক্ত হয়ে খাবারের জন্য। হাঁক দিতেই সে তার অধীনস্থদের দিয়ে আমাকে লাঞ্চিত করেছে এবং খাবার না দিয়ে তাড়িয়ে দিয়েছিল। সে ছিল বড় অহংকারি। অসহায়-গরীব মানুষদের দেখলে হিংসা করতো। প্রতিনিয়ত ধন সম্পদের বড়াই করতো। আজ সে রাস্তার ভিখারী আর আমি বিরাট ধন-সম্পত্তির মালিক। সবকিছু মহান মালিকের ইচ্ছা। তাকে তাড়িয়ে না দিয়ে পেট ভরে খাবার দাও। সে ইচ্ছা মাফিক ভোজন করুক। তাতে কেউ বাঁধা দিবে না এ আমার নির্দেশ।